এই পাঁচটি উপায়ে শিক্ষার্থীদের আপনার অনলাইন টিউশনে যোগদান করার জন্য আকর্ষিত করুন!

0
771

গৃহশিক্ষকতা হল অনেকদিন আগে থেকে প্রচলিত একটি এডুকেশনাল ব্যবসা।তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিমারীর কারণে গৃহশিক্ষকতা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।ফলত অনেকেই অনলাইন টিউশন-এ শিক্ষকতার কাজ শুরু করেছে।কিন্তু শিক্ষকতা শুধু শুরু করলেই তো হবে না, শিক্ষা দানের জন্য তো শিক্ষার্থীরও প্রয়োজন।অনলাইন টিউশনে পড়ানোর জন্য সেই শিক্ষার্থী যোগাড় হবে কী উপায়ে?

আজকের পোস্টে আমরা এই সমস্যার সমাধানের উদ্দেশ্যেই শিক্ষার্থীদের অনলাইন টিউশনে যোগদান করতে আকর্ষিত করার পাঁচটি উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।

১। বিনামূল্যের ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আকর্ষিত করুন

শিক্ষার্থীদের আপনার অনলাইন টিউশনের প্রতি আকর্ষিত করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় অনলাইন টিউশনের সম্বন্ধে বিনামূল্যে ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপন দেওয়া।বিজ্ঞাপনে থাকবে আপনার অনলাইন টিউশন সম্বন্ধে সমস্ত বিস্তারিত তথ্য।

  • বিজ্ঞাপনে থাকবে আপনার টিউশনের ব্যাপারে কিছুটা বর্ণনা।
  • শিক্ষকের কিছুটা তথ্য এবং পড়ানোর ক্ষেত্রে কোন টেকনোলজি ব্যবহার করা হবে সেটিও জানানো প্রয়োজন।
  • টিউশন ফিস কত নেওয়া হবে তার উল্লেখও থাকতে হবে বিজ্ঞাপনে।
  • এছাড়াও থাকবে যোগাযোগের সম্বন্ধে সমস্ত তথ্য।

২।সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য

সোশ্যাল মিডিয়ায় খুঁজলে পাওয়া যায় না এমন জিনিস বর্তমানে খুবই কম আছে।তাই নিজের অনলাইন টিউশনের বিজ্ঞাপন সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করুন এবং আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সেই বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দিতে বলুন সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।এভাবে সহজেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থী অনায়াসে যোগাড় করতে সক্ষম হবেন।

৩। টিউটরিং ডিরেক্টরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আকর্ষিত করুন

অনলাইনে রয়েছে এরকম অনেক ডিরেক্টরি যেখানে শিক্ষক শিক্ষার্থী যোগাড়ের উদ্দেশ্যে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারে।এটা অনেকটা বিনামূল্যে ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপনের মতো।তবে এই সব ডিরেক্টরি শুধুমাত্র শিক্ষকতার কাজে ব্যবহার করা হয়।

৪। SEO অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে খুঁজুন শিক্ষার্থী

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন-এর মাধ্যমেও শিক্ষার্থী খোঁজা সম্ভব।সঠিক ‘কী ওয়ার্ড’-এর মাধ্যমে যদি নিজের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় তাহলে সেটি সহজে আরও বেশী লোকজনের কাছে পৌঁছবে।তাই নিজের বিজ্ঞাপন লেখার সময়ে SEO-এর সাহায্য নিলে সেটি আরও বেশী সুবিধাজনক হবে।

৫। ব্লগিং-এর মাধ্যমে শিক্ষাদান করুন

অনলাইনে শিক্ষাদানের আরেকটি উপায় হলো ব্লগিং।ব্লগিং-এর মাধ্যমে শিক্ষাদান হয় অনেক বেশী সহজ এবং এটি সহজেই শিক্ষার্থীদের আকর্ষিত করে।

  • আপনার পড়ানোর বিষয়টি নিয়ে ব্লগ লিখুন।যদি সেই লেখা লোকের ভালো লেগে থাকে তবে তারা সেটিকে শেয়ার করবে এবং এইভাবে আপনার টিউটরিং সার্ভিসটি সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।
  • এমন ভাবে নিজের ব্লগের আর্টিকেলের জন্য কীওয়ার্ড বাছুন যাতে অন্য কিছু নিয়ে সার্চ করলেও যেন আপনার ব্লগের সম্মুখীন হতে হয় তাদের।এভাবেও আস্তে আস্তে ব্লগের ‘রীচ’ বাড়ানো সম্ভব।
  • ব্লগিং-এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়াতেও লোকের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হবেন।শুধুমাত্র নিজের বিজ্ঞাপন করা সোশ্যাল মিডিয়া পেজ কেউই ফলো করতে চায় না।তাই ব্লগে ভালো ভালো টিপস এবং টিউটোরিয়াল লিখে যদি সোশ্যালো মিডিয়ায় পোস্ট করা হয় তাহলে লোকের সেই পেজের প্রতি আকর্ষন বাড়বে এবং শেয়ারের মাত্রাও বাড়বে।
  • মার্কেট প্লেসে নাম নথিভুক্ত করা, ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপন দেওয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়া ইত্যাদি করা হলেও, নিজস্ব অনলাইন টিউশনের একটি অফিশিয়াল সাইট থাকা দরকার।একটি অফিশিয়াল সাইট থাকলে সেই অনলাইন টিউশনের ওপর শিক্ষার্থীর বিশ্বাসযোগ্যাতা জন্মায়।এই ক্ষেত্রেই সাহায্য করে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট।

উপরোক্ত এই সমস্ত স্ট্র্যাটেজি অবলম্বনের মাধ্যমে সহজেই নিজের অনলাইন টিউশনের জন্য শিক্ষার্থী আকর্ষন করা সম্ভব হবে।

আপনার কি মনে হয় এই বিষয়ে?আপনার মতামত অবশ্যই আমাদের জানান কমেন্ট সেকশনের মাধ্যমে এবং লাইক ও শেয়ার করে পোস্টটিকে ছড়িয়ে দিন সকলের মাঝে।টেকনোলজি সম্বন্ধিত আরও খবর জানতে চোখ রাখুন টুকিটেকের ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া পেজে। 

Leave a Reply